ছিনতাইকারী হ্যাঁচকা টানে শুধু ব্যাগ নয়, প্রাণও কেড়ে নিল

প্রকাশিত: ২৯শে ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৪:৫৫:৫৭ | আপডেট: ২৯শে ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৪:৫৫:৫৭ 5
ছিনতাইকারী হ্যাঁচকা টানে শুধু ব্যাগ নয়, প্রাণও কেড়ে নিল

রাজধানীর দক্ষিণ মুগদা এলাকায় মাইক্রোবাসে থাকা ছিনতাইকারীর টানে রিকশা থেকে পড়ে তারিনা বেগম লিপা (৩৮) নামের এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। আজ শনিবার সকাল ৬টা ৫০ মিনিটে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। মুগদা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আলী আহমেদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আজ সকালে ছেলেকে নিয়ে রাজারবাগ বাটপাড়া থেকে রিকশায় করে কমলাপুরের দিকে ফিরছিলেন লিপা। দক্ষিণ মুগদা ইউনিক বাস কাউন্টারের সামনের রাস্তায় চলন্ত রিকশায় থাকা অবস্থায় কয়েকজন ছিনতাইকারী তাঁর ব্যাগ ধরে টান দেয়। এ সময় তিনি রিকশা থেকে পড়ে গিয়ে গুরুতর আহত হন। তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় মুগদা হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।


প্রতীকী ছবিপ্রতীকী ছবিরাজধানীর দক্ষিণ মুগদা এলাকায় মাইক্রোবাসে থাকা ছিনতাইকারীর টানে রিকশা থেকে পড়ে তারিনা বেগম লিপা (৩৮) নামের এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। আজ শনিবার সকাল ৬টা ৫০ মিনিটে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। মুগদা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আলী আহমেদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আজ সকালে ছেলেকে নিয়ে রাজারবাগ বাটপাড়া থেকে রিকশায় করে কমলাপুরের দিকে ফিরছিলেন লিপা। দক্ষিণ মুগদা ইউনিক বাস কাউন্টারের সামনের রাস্তায় চলন্ত রিকশায় থাকা অবস্থায় কয়েকজন ছিনতাইকারী তাঁর ব্যাগ ধরে টান দেয়। এ সময় তিনি রিকশা থেকে পড়ে গিয়ে গুরুতর আহত হন। তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় মুগদা হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।

লিপার স্বামী গোলাম কিবরিয়া জানান, এসএসসি পড়ুয়া ছেলে ও ৭ বছরের মেয়েকে নিয়ে তাঁরা রাজারবাগ আত্মীয়ের বাসায় গিয়েছিলেন। সেখান থেকে দুটি আলাদা রিকশায় করে ফিরছিলেন তাঁরা। স্ত্রী সঙ্গে ছেলেও রিকশায় ছিল। মাইক্রোবাসে থাকা ছিনতাইকারীরা তাঁর স্ত্রীর ব্যাগ ধরে হ্যাঁচকা টান দিলে তিনি রাস্তায় পড়ে যান। ছিনতাইকারীরা ব্যাগটি নিয়ে পালিয়ে যায়। ব্যাগে একটি মোবাইল ফোন ও দুই হাজারের মতো টাকা ছিল।

মুগদা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আলী আহমেদ বলেন, ময়নাতদন্তের জন্য লাশ মর্গে রাখা হয়েছে।

লগইন করুন


পাঠকের মন্তব্য ( 0 )