বাসচাপায় রাজীব-দিয়ার মৃত্যু, রায় ১ ডিসেম্বর

প্রকাশিত: ১৪ই নভেম্বর ২০১৯ ০৫:২৬:৫৭ | আপডেট: ১৪ই নভেম্বর ২০১৯ ০৫:২৬:৫৭ 6
বাসচাপায় রাজীব-দিয়ার মৃত্যু, রায় ১ ডিসেম্বর

রাজধানীর শহীদ রমিজউদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের দুই শিক্ষার্থীকে বাস চাপা দিয়ে হত্যা ও কয়েকজনকে আহত করার ঘটনায় জাবালে নূর পরিবহনের দুই বাসের মালিক, চালক ও হেলপারদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার রায় দেওয়া হবে আগামী ১ ডিসেম্বর।

আজ বৃহস্পতিবার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশ রায়ের তারিখ ধার্য করেন।

এদিন আসামি ও রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তিতর্ক শুনানি শেষে হয়। এরপর আদালত রায়ের তারিখ ঘোষণা করেন। রায়ের দিন এই মামলায় গ্রেপ্তার আসামিদেও আদালতে হাজির করার নির্দেশ দেন আদালত।

গত ২ অক্টোবর সাক্ষ্যগ্রহণ সমাপ্ত ঘোষণা করে ৭ অক্টোবর আসামিদের আত্মপক্ষ সমর্থনের তারিখ ধার্য করা হয়। ৭ অক্টোবর আসামিরা নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন। এরপর আদালত গত ৪ নভেম্বর যুক্তিতর্ক শুনানির দিন ধার্য করেন। কয়েকদিন যুক্তিতর্ক শুনানি করেন আসামি ও রাষ্ট্রপক্ষ। আসামি পক্ষ আসামিদের খালাস দেওয়ার পক্ষে ও রাষ্ট্রপক্ষ আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেন যুক্তিতর্কে।

গত বছর ২৫ অক্টোবর আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। এর আগে গত ৬ সেপ্টেম্বর জাবালে নুরের দুই বাসের মালিক শাহাদৎ হোসেন আকন্দ ও জাহাঙ্গীর আলম, দুই বাসচালক মাসুম বিল্লাহ ও জুবায়ের সুমন এবং দুই হেলপার এনায়েত হোসেন ও কাজী আসাদকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দেওয়া হয়। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার অন্য একটি বাসের চালক মো. সোহাগ আলী ও হেলপার মো. রিপন হোসেনকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

গত বছর ২৯ জুলাই দুপুরে শহীদ রমিজউদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজ ছুটি হওয়ার পর শিক্ষার্থীরা বিমানবন্দর সড়কের হোটেল রেডিসনের অপর পাশে জিল্লুর রহমান ফ্লাইওভারের নীচে রাস্তায় বাসের ওঠার জন্য অপেক্ষা করছিলেন। এ সময় জাবালে নুর পরিবহনের তিনটি বাসের রেশারেশিতে শিক্ষার্থীদের গায়ের ওপর বাস উঠে পড়ে। এ ঘটনায় শহীদ রমিজউদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের এইচএসসি প্রথম বর্ষের ছাত্রী দিয়া খানম মীম ও দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র আবদুল করিম রাজীব নিহত হন। গুরুতর আহত হন প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ছাত্র সোহেল রানা, রুবাইয়া ও দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ইমরান চৌধুরী, মেহেদী হাসান জিসান, রাহাত, সজীব, জয়ন্তী ও তৃপ্তা। আরও কয়েকজন আহত হন যাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

দুই শিক্ষার্থীকে হত্যা ও কয়েকজনকে আহত করার পর ওইদিনই নিহত মীমের বাবা মো. জাহাঙ্গীর বাদী হয়ে ক্যান্টনমেন্ট থানায় মামলা করেন।

লগইন করুন


পাঠকের মন্তব্য ( 0 )